34.5 C
Dhaka
১৭ এপ্রিল, বুধবার , ২০১৯ ০৬:২০:৩৩ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
পাঁচমিশালী

বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিলেন নীলা চৌধুরী

ভয়েস বাংলা ডেস্ক: প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সালমান শাহ’র ‘মা’ নীলা চৌধুরী। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে নিহত হন সালমান শাহ। অভিযোগ উঠে যে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। সেই মামলার সুরাহা আজ পর্যন্ত হয়নি। নীলা চৌধুরী জানান, ‘আগামীকাল বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) আমার ছেলে সালমান শাহ’র শাহাদাৎ বার্ষিকী। এই দিনে আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। যার বিচার আমি আজও পাইনি। বুধবার সকাল থেকে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সালমানের জন্মভূমি সিলেটে সকাল থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সিলেট শাহজালাল মাজারে সালমান ভক্তদের নিয়ে দোয়া মাহফিল হবে।

সেখান থেকে বের হবে ১২.৩০ মিনিটে সালমান শাহ কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর কোর্ট পয়েন্টে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে এবং সিলেট কোর্ট পয়েন্টে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে সালমানের জন্মস্থান (সালমান ভবনে) মিলাদ মাহফিলের আয়োজনের মধ্যদিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। সেই সাথে সারাদেশে একই ভাবে পালিত হবে এই দিনটি।’ সালমান ভক্তরা সারাদেশে একই ভাবে দিনটি পালন করবে। নীলা চৌধুরী বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানাতে চাই, আমার ছেলের বিচার যেন আপনার এই সরকারের আমলে হয়। আপনি বিগত সময় ক্ষমতায় ছিলেন যখন আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়। সামিরার বাবা তিনি কেন আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে দলকে কলঙ্কিত করছেন? প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের ভরসা। আপনি বিচার করে দিন। আমরা আপনার বিচারের অপেক্ষায়।’ নীলা চৌধুরী বলেন, ‘রুবি কোথায় আজ? রুবিকে গুম করা হয়েছে। রুবিকে ওরা সবাই মিলে হয়তো মেরে ফেলেছ। আমি রুবিকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আজ দেশের মানুষ বুঝছে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে। সঠিক তথ্য একমাত্র ওই রুবি দিতে পারবে। আমি আবারো বলছি রুবিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। তাহলে সব সত্য বের হবে।

উল্লেখ্য, সালমান শাহ (জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ – মৃত্যু: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬), ১৯৯০ দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক। তাঁর প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। টেলিভিশন নাটক দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু হলেও পরে তিনি চলচ্চিত্রে একজন জননন্দিত শিল্পী হয়ে উঠেন। ১৯৯৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পায়। একই ছবিতে নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়। জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্র অভিনয় করেন এবং সবকয়টিই ছিল ব্যবসাসফল। তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণ করেন। অভিযোগ উঠে যে, তাকে হত্যা করা হয়; কিন্তু তার সিলিং ফ্যানে ফাঁসিতে হত্যাকান্ডের কোনো আইনী সুরাহা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

সম্পর্কিত

মাথা প্রতিস্থাপন!

ডেস্ক রিপোর্ট

বিশ্বকাপের জন্য আপনি প্রস্তুত তো!

ডেস্ক রিপোর্ট

মর্গের হিমাগারে জীবিত হলো মরদেহ!

ডেস্ক রিপোর্ট

রক্ষণাবেক্ষণের কারণেই ইন্টারনেটের ধীরগতি: বিএসসিসিএল পরিচালক

ডেস্ক রিপোর্ট

হেন্ডারসন আইল্যান্ড:মানুষ নেই আছে শুধু আবর্জনা

ডেস্ক রিপোর্ট

পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশ ‘জিলান্ডিয়া’

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত