24.8 C
Dhaka
৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার , ২০১৯ ১০:২৫:৩০ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
অর্থনীতি বিজনেস ভয়েস সাম্প্রতিক

ব্যাংকিং খাত টিকিয়ে রাখার জন্য সুশাসনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে : গভর্নর

ভয়েস বাংলা প্রতিবেদক: গতকাল থেকে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টে (বিআইবিএম) শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ৭ম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলন-২০১৮ (এবিসি-২০১৮)। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবির।

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংকগুলো যত ভালোই করুক, নতুন নতুন পণ্য নিয়ে আসুক কিন্তু সুশাসন না থাকলে টিকে থাকতে পারবে না। সুশাসনকে আগামী দিনগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে বিশ্বে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন শুধু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, অর্থনীতিতেও এসেছে। তাই আমাদের সামনে তাকাতে হবে। পেছনের আর্থিক সমস্যাগুলোর দিকে তাকিয়ে লাভ নেই।

অনুষ্ঠানে দেশের ব্যাংকগুলোর ঋণ, আমানত, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও মানব সম্পদ পর্যালোচনার তথ্য ও গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রথম দিনের একটি সেশনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সেখানে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের দক্ষতা নিয়ে বলা হয়- কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক শতভাগ স্কোর অর্জন করতে পারেনি। দক্ষতার মানদণ্ডে দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলো এগিয়ে রয়েছে।

দেশে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর দক্ষতা সবচেয়ে বেশি। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক অন্য তিন ব্যাংকের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে দক্ষতায়। এর পরে দক্ষতায় ভালো অবস্থানে রয়েছে রূপালী ব্যাংক। আর সবচেয়ে পিছিয়ে সোনালী ব্যাংক। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড। উল্লিখিত সময়ে দেখা যায়, সাউথ ইস্ট ব্যাংক সবচেয়ে বেশি দক্ষ। এরপর রয়েছে এবি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। আর ইসলামি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সিম ব্যাংক সর্বোচ্চ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে।

বিআইবিএম ২০১২ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে। বিআইবিএম এর মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। বিগত দিনগুলোতে আমাদের ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। সামনের দিনগুলোকে আমাদের সম্ভাবনা ও ঝুঁকির দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে ব্যাংক খাতের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক ছিল খেলাপি ঋণ এবং একক গ্রাহককে বড় আকারের ঋণ প্রদান।

এবারের বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনে চারটি প্লানারি সেশনে ২২টি প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, ব্যাংকার, গবেষক এবং শিক্ষার্থীরা এসব সেশনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছে। দুই দিনব্যাপী এ বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলন শেষ হবে আজ বৃহস্পতিবার।

#ভয়েস বাংলা/আকাআ

সম্পর্কিত

তৈরি পোশাকের উপযুক্ত মূল্য চান বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

জনতা ব্যাংকে দুই নয়া ডিএমডি: তাজুল ও জিকরুল

ডেস্ক রিপোর্ট

ইউএই বাংলাদেশে প্রধান বিনিয়োগকারী দেশ হতে চায়: ইউএই রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক রিপোর্ট

জেনেভায় লেবার কনফারেন্সে উঠছে বাংলাদেশের শ্রম আইন ইস্যু

ডেস্ক রিপোর্ট

জাতীয় ঈদগাহে জানাজা, অন্তিম শয়ান চট্টগ্রামে

ডেস্ক রিপোর্ট

৪০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে জার্মানি

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত